চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আবারও পিছিয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রতিবেদন দাখিলের ধার্য তারিখে তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ প্রতিবেদন জমা দিতে পারেননি। পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা আগামী ৮ ডিসেম্বর নতুন তারিখ ধার্য করেন। এই নিয়ে ১১ বার পেছাল প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ।
৮ ডিসেম্বর নতুন তারিখ ধার্য
মামলায় আসামি ১১ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সালমান শাহের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খলনায়ক আশরাফুল হক ডন, সামিরার মা লতিফা হক লুসি, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবি, আ. সাত্তার, সাজু ও রেজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত না হওয়ায় সিআইডি সময় চেয়েছিল। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশনের উপপরিদর্শক ওয়াজেদ আলী খান নতুন তারিখের বিষয়টি জানিয়েছেন।
গত বছরের ২০ অক্টোবর রাতে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করেন মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম। তিনি সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে মামলাটি দায়ের করেন।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর নিউ ইস্কাটনের বাসায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় সালমান শাহকে, যাঁর আসল নাম চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা জানান, তিনি আগেই মারা গেছেন। অভিযোগে তাঁর গলায় দড়ির দাগের কথা উল্লেখ রয়েছে।
মাত্র ২৫ বছর বয়সে মারা যাওয়া সালমান শাহ ছিলেন নব্বইয়ের দশকের সবচেয়ে জনপ্রিয় নায়কদের একজন। তাঁর মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি হত্যা, সেই বিতর্ক তিন দশক ধরে চলছে। মামলার তদন্তের অগ্রগতির দিকে তাকিয়ে আছেন তাঁর ভক্ত ও পরিবারের সদস্যরা।




