33.1 C
Bangladesh
Sunday, August 30, 2026
BRS TIMES
আইন-আদালতপ্রচ্ছদ

জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলাম কারামুক্ত

মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পাওয়া জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন।

বুধবার (২৮ মে) সকাল ৯টা ৫মিনিটে মুক্তি পেয়ে তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হন। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান।

ঢাকা বিভাগের কারা উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) মো. জাহাঙ্গীর কবির সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এটিএম আজহার কারা হেফাজতে এখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম দীর্ঘ ১৩ বছর পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে বলেন, ‘আমি আজ স্বাধীন, আমি এখন মুক্ত, আমি এখন স্বাধীন দেশের স্বাধীন নাগরিক।’

মুক্তি পেয়ে শাহবাগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশে সরাসরি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আজহারুল ইসলামের খালাসের রায়ের সংক্ষিপ্ত আদেশে তাকে অবিলম্বে জেল হেফাজত থেকে মুক্তি দিতে বলা হয়েছিল। প্রধান বিচারপতিসহ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাত বিচারপতির সাক্ষরের পর তিন পাতার সংক্ষিপ্ত আদেশ গতকালই প্রকাশিত হয়েছে। যে আদেশে বলা হয়েছে, অন্য কোন মামলা বা আইনি কার্যক্রমের কারণে আটক রাখার প্রয়োজন না হলে, তাকে অবিলম্বে জেল হেফাজত থেকে মুক্তি দেয়া হোক।

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বিভাগ বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে এ টি এম আজহারুল ইসলামের আপিল মঞ্জুর করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় বাতিল করে। এরপর গতকাল বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন। ফলে মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান এটিএম আজহারুল ইসলাম।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড থেকে কোনো আসামি আপিল বিভাগের রায়ে এই প্রথম খালাস পেলেন।

মুক্তিযুদ্ধকালীল মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানির পর ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর এ টি এম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

পরবর্তী সময়ে আপিল বিভাগের রায় রিভিউ চেয়ে ২০২০ সালের ১৯ জুলাই আবেদন করেন এ টি এম আজহারুল ইসলাম।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে হওয়া মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার বিচার প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে বিভিন্ন মহলের অভিযোগ ছিলো। রাজনৈতিক হীন স্বার্থ চরিতার্থ করতেই রাষ্ট্রযন্ত্র ও বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে ওই বিচার কার্যক্রম পরিচালিত হয় বলে দাবী ছিল অনেকের। সে সময় বিচারপতির স্কাইপি কেলেংকারী, আসামিপক্ষের সাক্ষী গুমের ঘটনা বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে উঠা প্রশ্নকে আরো প্রাসঙ্গিক করে তুলে।
বিআরএসটি/এসএস

Related posts

চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি থেকে মম’র পদত্যাগ

brs@admin

আপিল বিভাগের রায় পরবর্তী জামায়াত আমিরের বিশেষ বার্তা

brs@admin

সদিচ্ছা থাকলে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সংস্কার ও বিচার সম্ভব: হাসনাত আব্দুল্লাহ

News Desk

গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির ‘প্রথম পর্যায়ে’ একমত ইসরাইল-হামাস

News Desk

খাগড়াছড়িতে অস্ত্রসহ মাদক কারবারি আটক

News Desk

সোহরাওয়ার্দীতে জামায়াতের সমাবেশে থাকবে ৭ দফা দাবি মাহবুব জুবায়ের

News Desk
Translate »