ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন সোমবার তৃতীয় দিনে গড়িয়েছে। এদিন অন্তত ৪১৪টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে শিল্প পুলিশ।
শিল্প পুলিশের হিসাব অনুযায়ী আশুলিয়ায় ২৬৪টি ও গাজীপুরে দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে বিজিএমইএর দাবি, মিরপুর, গাজীপুর ও আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকার ৬৭৯টি কারখানা থেকে শ্রমিকেরা বেরিয়ে এসেছেন।
রোববার সরকার ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করলেও আন্দোলন থামেনি। সোমবারও গাজীপুর, আশুলিয়া, নারায়ণগঞ্জ ও মিরপুরে সড়ক অবরোধ আর সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
তিন জেলায় সংঘর্ষ, গ্রেপ্তার ৩২
গাজীপুরে নাওজোরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়, হামলার শিকার হন সাংবাদিকেরাও। জেলায় ১০ প্লাটুন বিজিবি ও ২১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েন করা হয়েছে। তিনটি মামলায় প্রায় ৩ হাজার ৬০০ জনকে আসামি করে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩২ জনকে, আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন।
আশুলিয়ায় আটটি কারখানায় ভাঙচুর ও একটি কাভার্ড ভ্যানে আগুনের ঘটনা ঘটেছে, আহত হয়েছেন ১২ পুলিশ সদস্য। নারায়ণগঞ্জে প্রায় চার ঘণ্টা সড়ক অবরোধ থাকে, মিরপুরে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ।
এদিকে কালিয়াকৈর উপজেলা প্রশাসন গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে বাড়িওয়ালাদের সতর্ক করেছে, যেন বহিরাগতদের আশ্রয় না দেওয়া হয়। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন শ্রমিক ও মালিক দুই পক্ষই।




