রিংয়ের সবচেয়ে ভয়ংকর মানুষটির জীবন নিয়ে নেটফ্লিক্সের প্রামাণ্যচিত্র ‘টাইসন’ দর্শক টানছে ঠিকই, তবে ধর্ষণ মামলাসহ অতীতের অন্ধকার অধ্যায়ের উপস্থাপন নিয়ে বিতর্কে পড়েছে সিরিজটি। সমালোচকদের একাংশের অভিযোগ, নিজের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ বেশি পেয়েছেন মাইক টাইসন নিজেই।
গত ১৩ অক্টোবর মুক্তি পাওয়া চার পর্বের এই সিরিজ প্রথম সপ্তাহেই নেটফ্লিক্সের ইংরেজি সিরিজের বৈশ্বিক তালিকায় চতুর্থ স্থান পায়। ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর এক সপ্তাহে ভিউ হয় ৫১ লাখ; দ্বিতীয় সপ্তাহে আরও ৩৮ লাখ। দুই সপ্তাহে মোট ভিউ দাঁড়িয়েছে ৮৯ লাখ।
‘টাইসন’ নিয়ে সমালোচকদের আপত্তি কোথায়
রটেন টমেটোজে সিরিজটির স্কোর ৮৬ শতাংশ। ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ দিয়েছে চারের মধ্যে চার তারকা। তবে ‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর সমালোচক হান্না জে ডেভিস দিয়েছেন মাত্র এক তারকা। তাঁর অভিযোগ, টাইসনের অন্ধকার অধ্যায়গুলো নিয়ে যথেষ্ট জবাবদিহি তৈরি করতে পারেনি প্রামাণ্যচিত্রটি।
সবচেয়ে বড় আপত্তি ধর্ষণ মামলার উপস্থাপন নিয়ে। ১৯৯১ সালে ডিজিরি ওয়াশিংটনের অভিযোগে পরের বছর দোষী সাব্যস্ত হয়ে তিন বছরের বেশি কারাভোগ করেন টাইসন; তিনি বরাবর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সিরিজে ওয়াশিংটন কিংবা সাবেক স্ত্রী রবিন গিভেন্স, দুজনের কেউই সাক্ষাৎকার দেননি।
পরিচালক ফ্লয়েড রাসের এই সিরিজে টাইসনের শৈশব, কাস ডি’আমাতোর হাত ধরে উত্থান, ২০ বছর বয়সে হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন হওয়া, পতন, মাদকাসক্তি ও ফিরে আসার চেষ্টা উঠে এসেছে। শেষ পর্বে ছেলে মিগুয়েলের মন্তব্য , বাবা পুরোপুরি বদলাননি, বদলেছে তাঁর প্রকাশভঙ্গি।
২০২৪ সালে জেক পলের সঙ্গে লড়াইয়ের পর থেকেই টাইসনকে ঘিরে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়। এই প্রামাণ্যচিত্র সেই কৌতূহল আরও বাড়ালেও প্রশ্ন রেখে গেছে ,অতীতের দায় কতটা স্বীকার করলেন ‘দ্য ব্যাডেস্ট ম্যান অন দ্য প্লানেট’?




