পেনাল্টি মিসের আক্ষেপ যেন মুহূর্তেই ভুলে গেলেন লিওনেল মেসি। যখন ম্যাচটি এগোচ্ছিল উত্তেজনার চূড়ান্ত মুহূর্তে, তখনই অধিনায়কের বাঁ পা থেকে বেরিয়ে এলো জয়ের সোনালি স্পর্শ। সেই গোলেই প্রতিপক্ষকে নাড়িয়ে দিলেন মেসি।
মেসির ম্যাজিকে অষ্ট্রিয়াকে হারিয়ে নকআউটে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা।নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষ। অতিরিক্ত সময়ের তৃতীয় মিনিটে অসাধারণ এক গোল করলেন মেসি। আর্জেন্টিনাও এগিয়ে গেলের ২-০ ব্যবধানে। এবার বিশ্বকাপে ২ ম্যাচে ৫ গোল দিলেন মেসি। এখন পর্যন্ত মেসিই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা।
পেনাল্টি মিসের পর অসাধারণ এক গোল করলেন আর্জেন্টিনার নির্ভরযোগ্য খেলোয়ার লিওনেল মেসি।৩৮ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে ফাকুন্দো মেদিনার ক্রসে ডামি করেন থিয়াগো আলমাদা। এরপর মেসির বাঁ পায়ের শট চলে যায় অস্ট্রিয়ার জালে। এই গোলে প্রথমার্ধেই ১-০ তে এগিয়ে গেল আর্জেন্টিনা।

সেই ১-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যাওয়া। এরপর ফিরে আবার সেই মুহুর্মুহু আক্রমণ। মেসিকে আটকাতে অস্ট্রিয়া দেয়াল তৈরি করে। মেসিও সেই দেয়াল টপকে গোল মুখে বারবার এগিয়ে যায়। অবশেষে শেষ বাঁশি বাজার আগে দেখেন সফলতার মুখ। ৯৫ মিনিটে বক্সের ভেতরে জটলা থেকে পাওয়া বলে শট নিয়েছিলেন। গোলরক্ষক ঢেকিয়ে দেন। আবার বল তার নাগালে। এবার একটু ডানপাশে চেপে গিয়ে জায়গা বানিয়ে আবার শট মেসির। এবার আর কেউ বাধা হতে পারেন না। মেসির শট খুঁজে নেয় জাল।
অস্ট্রিয়ার জালে শেষ পেরেকটি ঠুকে মেসি নিশ্চিত করেন দলের জয়। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব। এরপর শেষ মুহূর্তে আরেকটি স্পটকিকে মেসি প্রায় গোল পেয়েই গিয়েছিলেন। তার দূরপাল্লার শট নেওয়ার পরপরই রেফারি বাঁশি বাজিয়ে খেলার সমাপণী টানেন।
মেসি আরেকটি বিশ্বকাপের নক আউট পর্বে। ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে নেমে প্রতিটিতেই জায়গা করে দিয়েছেন দ্বিতীয় পর্বে।

