নতুন পে স্কেলে বেতন পেতে দেরি হচ্ছে। নবম পে স্কেলে আজ থেকে তিন মাসের বকেয়াসহ বর্ধিত বেতন পাওয়ার কথা ছিল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। কিন্তু ফিক্সেশনের কাজ শেষ না হওয়ায় দুই লাখের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী এ মাসে সেই বর্ধিত বেতন পাচ্ছেন না। তাঁরা অক্টোবরের বেতন পাবেন পুরোনো স্কেলেই।
নবম পে স্কেলের আওতায় রয়েছেন প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী, ৮ লাখ পেনশনভোগী এবং ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক। এর মধ্যে প্রায় ১২ লাখ কর্মচারীর ফিক্সেশন শেষ হয়েছে। বাকিদের তথ্য যাচাই এখনো চলছে।
ফিক্সেশনের জন্য আইবাস++ সিস্টেমে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পূর্ণাঙ্গ চাকরির তথ্য যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবার তথ্য হালনাগাদ করা যায়নি। গ্রেডের ক্রম, উচ্চতর গ্রেড ও বাড়িভাড়া ভাতা সংক্রান্ত অসঙ্গতিও কাজটি ধীর করেছে।
অসঙ্গতির একটি উদাহরণও সামনে এসেছে। এক কর্মকর্তার ক্ষেত্রে একাদশ গ্রেডের মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭ হাজার টাকা, অথচ দ্বাদশ গ্রেডের আরেক কর্মকর্তার মূল বেতন দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা। এমন ত্রুটি সংশোধন না করে বেতন ছাড় করা যাচ্ছে না।
নতুন পে স্কেলে বেতন: জটিলতা কাটলেই মিলবে সব বকেয়া
শনিবার অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, এই সমস্যা সাময়িক। তথ্য হালনাগাদ হলেই পরের মাসের বেতনের সঙ্গে বর্ধিত বেতন ও সব বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধ করা হবে। ফলে কেউ বকেয়া থেকে বঞ্চিত হবেন না বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
পে স্কেলের গেজেট জারি হয়েছিল ১৭ সেপ্টেম্বর। এরপর ৫ অক্টোবর থেকে ফিক্সেশনের কাজ শুরু হয়। প্রায় এক মাসের মধ্যে সব কর্মচারীর তথ্য যাচাই শেষ করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে যাঁদের ফিক্সেশন শেষ হয়েছে, তাঁরা আজ থেকেই বর্ধিত বেতন ও তিন মাসের বকেয়া পাচ্ছেন। বাকিদের ক্ষেত্রে অপেক্ষা আরও এক মাস বাড়ল। তবে অর্থ বিভাগ বলছে, বকেয়া হিসাব সংরক্ষিত থাকবে।
সূত্র: অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়




