ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত নদী ও পরিচ্ছন্ন বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, “নিজেদের পাশাপাশি পরবর্তী প্রজন্মের জন্যও দূষণমুক্ত নদী ও একটি বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। এ জন্য শুধু সরকারি নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করলে হবে না, ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ থেকেও কাজ করতে হবে।”
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদ-নদীর দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা, নাব্যতা নিশ্চিতকরণ এবং বৃত্তাকার নৌপথের উন্নয়নসংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব শাহরিয়ার পামির।
সভায় বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, ধলেশ্বরী, বালু ও শীতলক্ষ্যা নদীসহ সংলগ্ন খাল ও ড্রেনের দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য অপসারণ, নাব্যতা বজায় রাখা এবং ঢাকার চারপাশের বৃত্তাকার নৌপথের সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী এ পর্যন্ত গৃহীত সব পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেন এবং সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মধ্যে আন্তঃসমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী, মুখ্য সচিব, ঢাকা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার এবং ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকরা উপস্থিত ছিলেন।




