চলতি মাসের মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের বহুল প্রতীক্ষিত তফসিল ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতি বজায় রাখতে এই নির্বাচন একসঙ্গে না করে কয়েক ধাপে সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) আগারগাঁওয়ের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।
ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাস শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্র হিসেবে এবং শিক্ষকরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাই শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও পরীক্ষার সময় বাদ দিয়ে সুবিধাজনক সময়ে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে সরাসরি অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইসির কাছে দাবি জানানো হলেও ইসি এতে নেতিবাচক পর্যবেক্ষণ দিয়েছে। কমিশন মনে করে, শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা শিক্ষাঙ্গনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশের জন্য অন্তরায়।
আসন্ন উপ-নির্বাচনগুলোতে ভোটারদের সুবিধার্থে আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থার বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। এছাড়া নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরা এবং ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা নিশ্চিত করেছেন তিনি।
ভোটার স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও রুটিন কাজ উল্লেখ করে ইসি জানায়, ভুল বোঝাবুঝি ও অনিয়ম এড়াতে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।




