বাংলাদেশে পূর্ববর্তী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সকল টেলিকম পলিসি বাতিল করে গ্রাহক স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একটি নতুন, যুগোপযোগী টেলিকম নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। তিনি অংশীজনদেরকে বিতর্কের পরিবর্তে যৌক্তিক পরামর্শ প্রদানের আহ্বান জানান।
শনিবার (১২ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে একটি হোটেলে টেলিকম অ্যান্ড টেকনোলজি রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশ (টিআরএনবি) আয়োজিত ‘টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং লাইসেন্সিং নীতি সংস্কার’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এই ঘোষণা দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে মোবাইল অপারেটররা জানান, প্রতিবছর তারা ৬০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করলেও প্রস্তাবিত নীতিমালার কিছু ধারা, বিশেষ করে বিদেশি বিনিয়োগে বাধ্যবাধকতা এবং সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার মতো বিষয়গুলো তাদের জন্য উদ্বেগজনক। ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারীরাও আলোচনায় তাদের প্রতি বৈষম্যের কথা তুলে ধরেন।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান তার বক্তব্যে বলেন, টেলিকম নীতিমালা প্রণয়ন সরকারের এখতিয়ার হলেও, তার ভিত্তিতে নির্দেশিকা তৈরি করবে বিটিআরসি। তিনি উল্লেখ করেন যে, দেশে এখনো প্রায় ৯ কোটি মানুষ এবং আড়াই কোটি পরিবার কানেক্টিভিটির বাইরে রয়েছে এবং ডিভাইসের অভাব একটি বড় প্রতিবন্ধকতা।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব মোবাইল অপারেটরদের নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের ওপর জোর দেন এবং পূর্ববর্তী সরকারের সকল টেলিকম পলিসি বাতিলের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আশা প্রকাশ করেন যে, নতুন টেলিকম নীতিমালা বাস্তবায়ন হলে তা আগামী অন্তত ১৫ বছরের জন্য খাতটিকে সুরক্ষা দেবে।
বিআরএসটি/এসএস

