দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর পর নির্ধারিত মূল্যেই বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই ধাতু। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নির্ধারিত নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। রোববার (১৮ অক্টোবর) পর্যন্ত এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
বাজুসের সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়। গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়। পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত নির্ধারিত মূল্যেই দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হওয়ার কথা।
বাজুসের নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের পাশাপাশি ২১ ক্যারেট, ১৮ ক্যারেট ও সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দামও নির্ধারণ করা হয়েছে।
আজকের স্বর্ণের দাম
দেশের বাজারে প্রতি ভরি স্বর্ণের নির্ধারিত দাম হলো—
- ২২ ক্যারেট: ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা
- ২১ ক্যারেট: ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা
- ১৮ ক্যারেট: ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা
- সনাতন পদ্ধতি: ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা
রুপার দাম কত?
স্বর্ণের পাশাপাশি দেশের বাজারে রুপার দামও নির্ধারণ করেছে বাজুস। বর্তমানে প্রতি ভরি রুপার দাম ক্যারেট ও পদ্ধতিভেদে আলাদা।
বাজুসের নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ১৯৯ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৩ হাজার ৪৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬২৪ টাকা।
স্বর্ণের গহনা কিনতে যে বিষয়গুলো জানা জরুরি
বাজুসের নির্দেশনা অনুযায়ী, স্বর্ণ ও রুপার গহনা তৈরির মজুরি নকশা ও কাজের ধরন অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। গহনা কেনার সময় ঘোষিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে প্রযোজ্য ভ্যাট যুক্ত হবে। তবে ভ্যাট আদায়ের ক্ষেত্রে বাজুসের নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
এ ছাড়া পুরোনো স্বর্ণ বা রুপার গহনা বিক্রি কিংবা বিনিময়ের ক্ষেত্রে নির্ধারিত কর্তনের নিয়ম প্রযোজ্য। অলংকারের ক্ষেত্রে মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে ১২ শতাংশ এবং পারচেজের ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। এসব হিসাবের ক্ষেত্রে ভ্যাট আলাদাভাবে বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই বলে বাজুসের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বর্ণের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি এবং স্থানীয় বাজারের বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় সমন্বয় করা হয়। ফলে নতুন মূল্য ঘোষণা করা হলে দেশের বাজারেও স্বর্ণ ও রুপার দাম পরিবর্তিত হতে পারে।
তাই স্বর্ণ বা রুপার গহনা কেনার আগে ক্রেতাদের বাজুসের সর্বশেষ মূল্য তালিকা দেখে নেওয়া উচিত। পাশাপাশি গহনার ক্যারেট, ওজন, মজুরি ও প্রযোজ্য ভ্যাটের হিসাব যাচাই করে কেনাকাটা করলে খরচ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।




