উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে গ্যালাতাসারেকে তাদেরই মাঠে ৪-১ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) ইস্তাম্বুলের আলি সামি ইয়েন স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়লেও বিরতির পর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় কাতালান ক্লাবটি। দ্বিতীয়ার্ধে লামিন ইয়ামালের অসাধারণ পারফরম্যান্সে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় তারা।
ম্যাচের শুরুতে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও গ্যালাতাসারের রক্ষণভাগের চাপে বারবার বাধা পায় বার্সেলোনা। ডান প্রান্তে ইয়ামালকে কড়া পাহারায় রাখায় আক্রমণের জন্য অন্য প্রান্তের ওপর নির্ভর করতে হয় সফরকারীদের।
২৭ মিনিটে আলেক্সেই বাতরাকভের শটে এগিয়ে যায় গ্যালাতাসারে। রাফায়েল লেয়াওয়ের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা পাল্টা আক্রমণ থেকে নেওয়া শট বার্সেলোনার ডিফেন্ডার হুয়াও কানসেলোর গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ায়।
এরপর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল স্বাগতিকরা। কর্নার থেকে ভিক্টর ওসিমেনের হেড গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়াকে পরাস্ত করলেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
প্রথমার্ধে সমতায় ফেরার চেষ্টা চালিয়ে যায় বার্সেলোনা। একপর্যায়ে দানি ওলমোর বাড়ানো পাস থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান হুয়াও কানসেলো।
বিরতির পর ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। ৫০ মিনিটে ইয়ামালের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে গোল করেন ফারমিন লোপেজ। তিন মিনিট পর ইয়ামালের দুর্দান্ত ড্রিবলিংয়ের পর তাঁর বাড়ানো বল থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান ইংলিশ স্ট্রাইকার অ্যান্থনি গর্ডন।
৬৫ মিনিটে ইয়ামালের পাস থেকে আক্রমণ গড়ে ওঠে। বদলি হিসেবে নামা গ্যাব্রিয়েল জেসুস বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হলেও বল প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে করিম আদেয়েমির সামনে চলে যায়। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে জোরালো শটে গোল করেন আদেয়েমি।
নিজেও গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন ইয়ামাল। তবে তাঁর নেওয়া শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে চলে যায়। শেষ পর্যন্ত গোল না পেলেও আক্রমণ সাজানো ও সতীর্থদের গোলের সুযোগ তৈরি করে দেওয়ার মাধ্যমে ম্যাচে বড় প্রভাব রাখেন ১৯ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ তারকা।
এই জয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে বার্সেলোনা। অন্যদিকে, টানা হারে এখনো পয়েন্টের খাতা খুলতে পারেনি গ্যালাতাসারে।




