বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের দেখা পেলো স্পেন।সৌদি আরবকে ৪-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারাল তারা। প্রথমার্ধেই তিন গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ইউরোপের চ্যাম্পিয়নরা।
আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় শুরু হওয়া ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচে ১০ মিনিটে লামিন ইয়ামালের গোলে এগিয়ে যায় স্পেন।উদ্বোধনী ম্যাচে দুর্বল কেপ ভার্দের বিপক্ষে ভালো খেলেনি স্পেন।দ্বিতীয় ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে অনেকটা চেনা গেছে স্পেনকে। শুরুতেই স্পেনের খেলোয়াররা জ্বলে উঠেন। ২৪ মিনিটের মধ্যেই ৩ গোল করে প্রথমার্ধ শেষ করেছে তারা। লামিনে ইয়ামালের একটি এবং ওইয়ারসাবালের জোড়ায় ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে গেছে তারা।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে ইয়ামালকে শুরুর একাদশে বড্ড মিস করেছে স্পেন। তার উপস্থিতি কতটা প্রভাব ফেলে সেটা এবার বোঝা গেছে সৌদি আরবের বিপক্ষে। মাঠে নেমেই ১০ মিনিটে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দিয়েছেন তিনি। বাঁ প্রান্ত দিয়ে এগিয়ে গিয়ে নিচু ক্রস বাড়ান ওইয়ারসাবাল। বক্সের ভেতরে ডান দিকে দারুণভাবে ঢুকে পড়ে কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে দেন ইয়ামাল।
এরপর ব্যবধান বাড়াতেও বেশি সময় লাগেনি। ২১ মিনিটে কর্নার থেকে আসা সুযোগে নিখুঁত শটে জালে বল জড়িয়ে দেন ওইয়ারসাবাল। তিন মিনিট পর আবারও জালে বল পাঠান তিনি। দানি ওলমোর অ্যাসিস্টে স্কোর করেন ৩-০।
প্রথমার্ধেই ৩–০ গোলে এগিয়ে যাওয়া স্পেন দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও পেয়ে যায় গোল। এবার অবশ্য নিজেদের জালেই বল জড়িয়েছে সৌদি আরব। ৪৯ মিনিটে মার্ক কুকুরেয়ার ভলি সৌদি গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিলেও হাসান আল তামবাকতির শরীরে লেগে ঢুকে যায় জালে।
এখন পর্যন্ত ৮টি আত্মঘাতী গোল হয়েছে এবারের বিশ্বকাপে। শুধু ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপেই এর চেয়ে বেশি আত্মঘাতী গোল (১২) হয়েছে।
নির্ধারিত সময় শেষে অতিরিক্ত সময়ে অফসাইডে ফেরান তোরেসের একটি গোল বাতিল হয়। যোগ করা (৯২) সময়ে ডান প্রান্ত থেকে পেদ্রো পোরোর ক্রসে পা ছুঁইয়ে গোল করে ফেরান তোরেস। তবে ভিেআর রেফারি অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করে দিলে ৪-০ তেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় স্পেনকে।
ম্যাচে ২২ টি শট নিয়ে ৮টি সৌদির পোস্টে রাখতে পেরেছে স্পেন। ৫টি সেভ করেন সৌদি গোলকিপার।
এ জয়ের ফলে ‘এইচ’ গ্রুপের শীর্ষে তিনে থাকা নিশ্চিত হয়েছে স্পেনের। সেই সঙ্গে বর্তমানে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে অবস্থান করছে স্প্যানিশরা।

