মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের অবস্থা বিপজ্জনক। দেশটির ৩১টি প্রদেশেই সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়া এবং অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়ার পর তিনি আবারও সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।
শুক্রবার (৮ জানুয়ারি) নতুন করে হামলার হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আমি আশা করি, ইরানের বিক্ষোভকারীরা নিরাপদ থাকবেন। কারণ এ মুহূর্তে এটি খুবই বিপজ্জনক জায়গা। তোমরা (ইরান সরকার) গুলি না চালালেই ভালো করবে। কারণ (চালালে) আমরাও গুলি চালানো শুরু করব।’
এর আগে গত সপ্তাহেও তেহরানকে হুঁশিয়ার করে ট্রাম্প বলেছিলেন, বিক্ষোভকারীদের ‘হত্যা’ করলে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইরানে গত প্রায় দুই সপ্তাহে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে। এদিকে তেহরানের এক চিকিৎসক টাইম সাময়িকীকে বলেছেন, নিহতের সংখ্যা দুইশ ছাড়িয়েছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে সংঘর্ষ ও অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য দেখানোর পাশাপাশি আধা সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, গত রাতে পুলিশ কর্মকর্তা ও বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও নিহত হয়েছেন।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইরানে গত প্রায় দুই সপ্তাহে কয়েক ডজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ভবনে সংঘর্ষ ও অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্য দেখানোর পাশাপাশি আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, গত রাতে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তাও নিহত হয়েছেন।
এদিকে গতকাল সকালে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ চলতে থাকায় ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের’ মুখে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা ‘পশ্চিমা প্রভুদের’ খুশি করতে সহিংসতা চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সংযম এবং রাষ্ট্রকে ‘প্রকৃত’ অভিযোগ শোনার আহ্বান জানালেও অন্য নেতারা সতর্ক করেছেন, কর্তৃপক্ষ কোনো সহানুভূতি দেখাবে না। এই নেতারা বলছেন, বিক্ষোভ ‘বিদেশি শত্রুদের’ সমর্থন পেয়েছে।
বিআরএসটি/এসএস

