গণঅভ্যুত্থানের মুখে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দিয়ে প্রতিবেশি দেশ জুলাই শহীদদের অসম্মান করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা পলাতক এক আসামি এবং তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে এবং নানা খুনের মামলা ও দুর্নীতির মামলায় বিচার চলছে । তিনি একটি দেশে পালিয়ে গেছেন। ২০১৩ সালের প্রত্যর্পণ আইনের মাধ্যমে তাকে ফেরত দেওয়া সম্ভব। এজন্য সরকার চিঠি দিয়েছে, কিন্তু সেই চিঠির কোনো জবাব দেওয়া হয়নি।
তিনি বলেন, একজন পলাতক আসামিকে প্রত্যাবাসনের জন্য যে আইনে দুই দেশ চুক্তি করেছে, সেই চুক্তি থাকা সত্ত্বেও তাকে ফিরিয়ে না দিয়ে রাজনীতি করার সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি অপমান।
তিনি বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে বাংলাদেশ সরকার এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভারতের সরকারকে অবহিত করলেও তাতে সাড়া দেওয়া হয়নি। যেদিন এই দেশে একটি তুমুল আন্দোলন, গণতন্ত্রের জন্য, অবাধে আমাদের রাজনীতি করার সুযোগের জন্য, এদেশের জনগণের কথা বলার জন্য, আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব সুরক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে যে গণজাগরণ ও মহাবিপ্লব সম্পন্ন হলো এবং তিনি পালিয়ে গেলেন।
সেই দিনেই এই প্রোগ্রামটি দিল্লিতে হচ্ছে আর সেখানে শেখ হাসিনাকে বক্তৃতা করতে দেওয়া হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণরূপে ভারতীয় নীতি-নির্ধারকদের পরিকল্পিত একটি বিষয়।



