বিশ্বকাপে ‘এফ’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে সুইডেনের সাথে ড্র করে ৫ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হয়েছে জাপান। এবার নকআউটে তারা খেলবে ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিপক্ষে।
এদিকে ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় হয়েছে সুইডেন। সেরা তৃতীয় দলগুলোর একটি হয়ে সেরা বত্রিশে যাওয়া সুইডেনের প্রতিপক্ষের নাম জানতে অপেক্ষায় থাকতে হবে।
শুক্রবার (২৬ জুন) ভোরে ডালাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে জাপান ও সুইডেনের লড়াই সমতায় শেষ হয়। গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণাত্মকভাবে খেললেও শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলে ড্র করেছে তারা। ফলে দুই দলই নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে।
ম্যাচের শুরুতেই প্রথম সুযোগ পায় সুইডেন। তবে ডি-বক্সের বাইরে থেকে মিডফিল্ডার আলেকসান্দার বের্নহার্দসনের বাঁকানো শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি। খেলার ৩৭তম মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন সুইডেনের ডিফেন্ডার ইসাক হিন।
৪০তম মিনিটে জাপানের ডিফেন্ডার ইয়োকিনারি সুগাওয়ারা দূরপাল্লার শট নিলেও তা রুখে দেন সুইডেনের গোলরক্ষক ইয়াকুব ভিদেল জেততেরস্ত্রুম। পাঁচ মিনিট পর নেইতো নাকামুরার বাঁকানো শটও দুর্দান্ত সেভে কর্নারের বিনিময়ে ঠেকিয়ে দেন তিনি।
তবে বিরতির পর ম্যাচের চেহারা পাল্টে যায়। ৫৬তম মিনিটে দারুণ এক দলীয় আক্রমণ থেকে এগিয়ে যায় জাপান। আয়াসে উয়েদার সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন রিতসু দোয়ান। তার বাড়ানো বল পেয়ে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে নিখুঁত ফিনিশে জালে বল পাঠান দাইজেন মায়েদা।
তবে জাপানের আনন্দ স্থায়ী হয় মাত্র ছয় মিনিট। ৬২তম মিনিটে এন্টনি এলাঙ্গা ডি-বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে সমতা ফেরান সুইডেনের হয়ে। ক্রসের ভান করে নেওয়া তার শট জাপানের গোলরক্ষক সুজুকিকে পরাস্ত করে জালে জড়িয়ে যায়।
৬৫তম মিনিটে আলেকসান্দার ইসাকের শক্তিশালী শট ঠেকিয়ে দলকে রক্ষা করেন সুজুকি। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে এলাঙ্গার আরেকটি দুর্দান্ত প্রচেষ্টাও অসাধারণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন জাপানি এই গোলরক্ষক।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো দলই গোল খুঁজে পায়নি। ফলে ১-১ সমতায় শেষ হয় প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই ম্যাচ, যা দুই দলকেই নকআউট পর্বের টিকিট এনে দিয়েছে।
এদিকে একই গ্রুপের অন্য ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নেদারল্যান্ডস। নকআউট পর্বে তারা মুখোমুখি হবে মরক্কোর।

