আহমেদাবাদের ফাইনালের পিচ বাউন্স ও পেসে সহায়ক হতে পারে । ভারত-নউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে আলোচনার বড় অংশই এখন পিচ নিয়ে। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে রোববার যে পিচে ম্যাচটি হবে, তা অনেকটা দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে মুম্বাইয়ের পিচের মতো হওয়ার আভাস পাওয়া গেছে।
মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে সেমিফাইনালের আগে সবুজ আভাযুক্ত উইকেট দেখে অনেকেরই ভ্রু কুঁচকে গিয়েছিল। কিন্তু ম্যাচে শেষ পর্যন্ত রানের বন্যাই দেখা যায়- দুই দল মিলিয়ে হয় রেকর্ড ৪৯৯ রান।
আহমেদাবাদের ফাইনালের পিচও তেমনই বাউন্স ও পেসে সহায়ক হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্পিনারদের জন্য টার্ন তুলনামূলক কম থাকতে পারে।
ইএসপিএন ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে জানা গেছে, ফাইনালের জন্য যে সেন্টার পিচটি বেছে নেওয়া হয়েছে সেটি লাল ও কালো মাটির মিশ্রণে তৈরি। ফলে পেসাররা বাড়তি সুবিধা পেতে পারেন, আর ব্যাটারদের জন্যও থাকবে বাউন্সে ভর করে শট খেলার সুযোগ।
এমন উইকেটে গড় স্কোর প্রায় ২০০ রান হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই পিচটি প্রায় নতুনই বলা যায়। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এখানে এখন পর্যন্ত হয়েছে মাত্র একটি ম্যাচ- গত ৯ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় লড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও কানাডা। আগে ব্যাট করে ২১৩ রান তুলেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা, পরে ৫৩ রানে জিতেছিল তারা।
এই মাঠে এবারের আসরে নিউজিল্যান্ড খেলেছে একটি ম্যাচ, ভারত খেলেছে দুইটি। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি গ্রুপ পর্বে লাল মাটির পিচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৭৭ রান তাড়া করে ১৭ বল হাতে রেখেই জিতে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
এর চার দিন পর নিজেদের শেষ গ্রুপ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে ১৯৩ রান তোলে ভারত এবং ১৭ রানে জয় পায়। এরপর ২২ ফেব্রুয়ারি সুপার এইটে কালো মাটির পিচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৮৭ রান তাড়া করতে নেমে ৭৬ রানে হেরে যায় স্বাগতিকরা।
গত এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো কোনো বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও নিউ জিল্যান্ড। এর আগে গত বছরের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল ভারত। এবার টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে সেই লড়াইয়েরই আরেক অধ্যায়।

