ইসরাইলের হাতে আটক ফিলিস্তিনি বন্দীদের মুক্তির বিনিময়ে আজ সোমবার সকল জীবিত জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার জন্য হামাস প্রস্তুত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ ‘সমাপ্ত’ ঘোষণা করার পর শান্তি সম্মেলনের জন্য এই অঞ্চলে যাচ্ছেন।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
ট্রাম্পের ইসরাইল ও মিশর সফরের লক্ষ্য গত সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি এবং জিম্মি মুক্তি চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা উদযাপন করা। তবে, এটি এমন এক অস্থির সময়ে হচ্ছে যখন ইসরাইল এবং হামাস পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবিত রোডম্যাপের অধীনে, ফিলিস্তিনিরা জীবিত জিম্মিদের হস্তান্তর করার পরে, ইসরাইল বিনিময়ে প্রায় ২ হাজার বন্দীকে মুক্তি দেওয়া শুরু করবে।
প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের একজন মুখপাত্রের বলেন, ইসরাইল আশা করছে ২০ জন জীবিত জিম্মিকে ‘সোমবার ভোরে’ রেড ক্রসের কাছে মুক্তি দেওয়া হবে।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে বিশেষ সফরের শুরুতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি টিকবে কিনা সে সম্পর্কে উদ্বেগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘আমি মনে করি, এটি টিকবে। আমার মনে হয়, মানুষ এতে ক্লান্ত। তিনি আরও বলেন, ‘যুদ্ধ শেষ। ঠিক আছে? বুঝতে পারছেন?’
ইসরাইলে, ট্রাম্প জেরুজালেমে ইসরাইলি পার্লামেন্টে ভাষণ দেওয়ার আগে দুই বছর আগে যুদ্ধের সূত্রপাতকারী সীমান্তবর্তী অঞ্চলে প্রাণঘাতী হামলায় হামাস কর্তৃক আটক জিম্মিদের পরিবারের সাথে দেখা করার কথা রয়েছে।
তার এই সফর আংশিকভাবে গাজা চুক্তির উপর বিজয়ের একটি পদক্ষেপ, যা তিনি সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে ঘোষিত ২০-দফা শান্তি পরিকল্পনার মধ্যস্থতা করতে সহায়তা করেছেন।
ওয়াশিংটনের কাছে জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রুজে বিমানে ওঠার প্রস্তুতি নেওয়ার আগে ট্রাম্প বলেন ‘সবাই এই মুহূর্তটি নিয়ে খুবই উত্তেজিত।’
বিআরএসটি/এসএস
next post

