বরিশালের মুলাদীতে লিমা হত্যা মামলায় তার স্বামী সোহরাব হোসেনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া, মরদেহ গুমের অপরাধে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেয় আদালত।
রোববার (৫ অক্টোবর) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক রকিবুল ইসলাম এ রায় দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোকলেছুর রহমান বাচ্চু জানান, ২০১১ সালে বরিশালের মুলাদী উপজেলার গৃহবধূ লিমাকে তার প্রথম স্বামীর কাছ থেকে ডিভোর্স করিয়ে বিয়ে করেন একই এলাকার সোহরাব হোসেন আকন। তবে দুই লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে বিয়ের ২ বছরের মাথায় ২০১৩ সালে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে স্বামী সোহরাব। এ ঘটনায় নিহতের ছোট বোন ডলি বেগম মুলাদী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ শুনানির পর প্রমাণ সাপেক্ষে আদালত আজ স্বামী সোহরাবকে নারী নির্যাতন ও হত্যার দায়ে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড এবং দন্ডবিধি আইনের ২০১ ধারায় মরদেহ গুমের অপরাধে ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেন।
মামলা সূত্রে আরও জানা যায়, নিহত লিমা সোহরাবের তৃতীয় স্ত্রী। এর আগে তার ২য় স্ত্রী মিলি বেগমকেও যৌতুকের দাবিতে ২০০৯ সালে গর্ভাবস্থায় হত্যা করে মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয়। সেই খুনের ঘটনায়ও সোহরাবের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ রয়েছে। যা পরবর্তীতে আপিল করলে উচ্চ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
বিআরএসটি/এসএস

