26.3 C
Bangladesh
Thursday, July 16, 2026
BRS TIMES
প্রচ্ছদলাইফস্টাইল

অতিরিক্ত কার্টুন দেখা শিশুদের যেসব সমস্যা হতে পারে

তথ্য প্রযুক্তির এই যুগে শিশুরা বেশ এগিয়ে। মোবাইল অনেক সময় হয়ে ওঠে তাদের নিত্যসঙ্গী। অনেক শিশু মোবাইল না পেলে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এমনকি বেশিরভাগ শিশু মোবাইল ছাড়া খাবারই খেতে চান না।

মোবাইলে বা টিভিতে কার্টুন দেখতে ভালোবাসে শিশুরা। কারণ এটি তাদের আনন্দ দেয়, শেখায় এবং কল্পনার জগতে নিয়ে যায়। কিন্তু একটি শিশু কতক্ষণ কার্টুন দেখছে, তার উপর নির্ভর করে তার মানসিক স্বাস্থ্য।

কার্টুনের উপকারিতা

কার্টুন দেখার মাধ্যমে শিশুরা অনেক বিষয় সহজেই শিখতে পারে। যেমন ভাষা, রং বা কোনো সমস্যার সমাধান সম্পর্কে কার্টুন তাদের ইতিবাচক ধারণা দেয়। কার্টুনের মাধ্যমে অল্প বয়সে গল্প শোনার প্রতি তাদের আকর্ষণ তৈরি করে।

তাছাড়া কার্টুনের নৈতিক গল্পের মাধ্যমে শিশুদের নৈতিক দিক শেখানো সম্ভব হয়।

কখন সমস্যা হবে?

বিভিন্ন কার্টুনের গল্পের গতিপথ অনেক রকমের হতে পারে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দ্রুত গতিসম্পন্ন কার্টুন একটানা ৯ মিনিটের বেশি দেখলে শিশুদের একাগ্রতায় বিঘ্ন ঘটতে পারে। কখনো কখনো তা তাদের সমস্যার সমাধানে বা সিদ্ধান্ত নিতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

২ থেকে ৫ বছর বয়সি শিশুদের ক্ষেত্রে যদি স্ক্রিন টাইম বেশি হয়, তাহলে অনেকেই কথা বলা, স্মৃতি সংরক্ষণ বা সামাজিক আদান-প্রদানের বিভিন্ন রীতি দেরিতে আয়ত্ত করে।

অনেক সময় অতিরিক্ত কার্টুন দেখার ফলে শিশুরা পছন্দের চরিত্রদের অনুকরণ করতে শুরু করে। তার ফলে তাদের ব্যবহার বা কথা বলার ভঙ্গিতে পরিবর্তন আসতে পারে। কখনো কখনো কাল্পনিক এবং বাস্তব জগতের মধ্যে পার্থক্য করতেও তাদের সমস্যা হতে পারে।

কার্টুন দেখার মাধ্যমে ছোটদের দৈনিক স্ক্রিন টাইমও বাড়তে থাকে। তার ফলে অনেক সময়ে তাদের মানসিক জগতে পরিবর্তন ঘটতে পারে। ছোটদের মনে উদ্বেগ বাড়তে পারে। আবার অনেকের মধ্যে লাজুক স্বভাব বাড়তে পারে। সারাক্ষণ কার্টুনই তাদের মুখে তখন হাসি ফোটায়। ফলে খেলাধুলা বা অন্যান্য সামাজিক কাজকর্মে তাদের আগ্রহ কমতে পারে।

সমতা এবং সুস্থতা

কার্টুন অনেক সময়ে হিংসাত্মক হতে পারে। তাই শিশুদের জন্য বিষয় বড়দেরই নির্বাচন করে দেওয়া উচিত। ধীর গতির শিক্ষামূলক কার্টুনই তাদের দেখার পরামর্শ দেওয়া উচিত।

যে সমস্ত শিশু এখনো স্কুলে প্রবেশ করেনি, তাদের ক্ষেত্রে দিনে এক ঘণ্টার বেশি কার্টুন দেখতে দেওয়া উচিত নয়।

কার্টুনের পাশাপাশি শিশুদের গল্প করা বা বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে খেলাধুলা করার পরামর্শ দেওয়া উচিত।

কাল্পনিক এবং বাস্তব জগৎ সম্পর্কে শিশুদের স্পষ্ট ধারণা তৈরির জন্য তাদের সঙ্গে নিয়মিত কথা বলা উচিত। ছোটদের শান্ত রাখতে সব সময় কার্টুনকে ব্যবহার করা উচিত নয়।

বিআরএসটি /  জেডএইচআর

Related posts

ইসরাইলের হামলায় লেবাননে দুইজন নিহত

News Desk

গাজার উদ্দেশে যাওয়া শহিদুল আলমের প্রশংসায় তারেক রহমান

News Desk

বিগত বছরে সরকার আয়নাঘরের মাধ্যমে স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছিল : প্রেস সচিব

News Desk

ফানুস উড়ানো নিষিদ্ধ ঘোষণা

News Desk

গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে মণিরামপুরের খলিলের সফলতা

News Desk

প্রতীক বাছাইয়ে এনসিপিকে সময় বেঁধে দিল ইসি

News Desk
Translate »