অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ভবিষ্যতে আর যেন কোনো আয়নাঘর তৈরি না হয়। বিগত বছরে সরকার আয়নাঘরের মাধ্যমে স্বৈরাচারী হয়ে উঠেছিল। বিরোধী মতকে দমন করতে আয়নাঘরে পাঠানো হতো। আমরা চাই না, ভবিষ্যতে আর কোনো আয়নাঘর তৈরি হোক।
শনিবার (১৯ জুলাই) কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) টেডএক্সের একটি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমির (বার্ড) ময়নামতি অডিটোরিয়ামে দেওয়া বক্তব্যে প্রেস সচিব এসব কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেন, শেখ হাসিনার মতো মনস্টারকে হটিয়েছে এ দেশের সোনালি প্রজন্ম। আমি তাদের ‘সোনালি প্রজন্ম’ এজন্য বলছি, কারণ আমরা প্রাপ্তবয়স্করা কিন্তু তা পারিনি। অথচ এই প্রজন্মের ভাষা কিন্তু খুব বেশি আক্রমণাত্মক ছিল না। তারা শুধু বলেছে, ‘নাটক কম করো পিও’। তারা চেয়েছিল সংস্কার। তারা দেয়ালে লিখেছে, মিছিল করেছে, সবকিছু করেছে এবং করে দেখিয়েছে।
দারিদ্র্য প্রসঙ্গে প্রেস সচিব বলেন, একাত্তর ও জুলাইয়ের ঘোষণা পরেও দেশের প্রধান সমস্যা রয়ে গেছে দারিদ্র্য। ড. ইউনূস সরকার দারিদ্র্যকে মিউজিয়ামে পাঠানোর লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে এবং আমরা সে লক্ষ্যেই কাজ করছি।
নির্বাচন প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, একদিনও নির্বাচন পেছাবে না। প্রফেসর ইউনূস যে সময়ের ঘোষণা দিয়েছেন, নির্বাচন ঠিক তখনই হবে এবং এটি হবে ‘ওয়ান অব দ্য বেস্ট নির্বাচন’। বৃষ্টির মৌসুম শেষে দেখবেন, নির্বাচন নিয়ে তোড়জোড় শুরু হয়ে যাবে।
সম্প্রতি গোপালগঞ্জে ঘটে যাওয়া সহিংসতার বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, গোপালগঞ্জ তো দেশের বাইরে নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে, আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
জুলাই ঘোষণাপত্র বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, আমরা এখনও জানি না, চেষ্টা করে যাচ্ছি। অন্য দেশে এ ধরনের প্রক্রিয়ায় কয়েক বছর লেগে যায়। কিন্তু আমরা প্রতিদিনই এটি নিয়ে বসছি।
বিআরএসটি/এসএস

