৯ মাস পরে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট খেলতে নেমেও বাজিমাত কোহলির ।দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে আইপিএলের নতুন আসরের প্রথম ম্যাচ রাঙিয়েছেন বিরাট কোহলি। চমৎকার ইনিংসে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে এনে দিয়েছেন দারুণ জয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে খেলেছেন ৩৮ বলে ৬৯ রানের ইনিংস।
অথচ এই ম্যাচের আগে গত ৯ মাস কোনো টি-টোয়েন্টি খেলেননি কোহলি। গত আইপিএল ফাইনালের পর এবারই প্রথম কোনো ২০ ওভারের ম্যাচ খেললেন তিনি। আর সেখানেই করলেন বাজিমাত। এর রহস্য হিসেবে কোহলি বললেন, মাঠে নামলে ১২০ শতাংশ প্রস্তুত হয়েই মাঠে নামেন তিনি।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ার পর এখন শুধু আইপিএলেই কুড়ি ওভারের ক্রিকেট খেলেন কোহলি। গত বছরের জুনে বেঙ্গালুরুর প্রথম আইপিএল শিরোপা জয়ের ম্যাচ দিয়েই এই সংস্করণে সবশেষ ম্যাচ খেলেন তিনি।
এরপর মাঝের ৯ মাসে খুব বেশি ক্রিকেট খেলেননি কোহলি। গত জানুয়ারিতে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে আলো ছড়ান তিনি। পরে আবার দুই মাসের বিরতি। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে এরকম বিরতিগুলো দারুণ কাজে দিচ্ছে মনে করেন তিনি।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে ২০২ রান তাড়া করে বেঙ্গালুরুকে জেতানোর পর বিরতি ও বিশ্রামের গুরুত্ব তুলে ধরেন কোহলি।
“গত ১৫ বছর যে ধরনের ব্যস্ত সূচি ও যে পরিমাণে ক্রিকেট আমি খেলেছি, বিষয়টা অপ্রস্তুত থাকার চেয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকিটা বেশি। তাই এসব বিরতি অনেক কাজে দেয়। আমি সতেজ থাকি, (খেলার জন্য) রোমাঞ্চিত থাকি। যখনই মাঠে ফিরি, ১২০ শতাংশ প্রস্তুত থাকি। আর যদি না ফিরি, তাহলে বুঝে নেবেন আমি অপ্রস্তুত।”
“অতিরিক্ত বিশ্রাম আমাকে মানসিকভাবে সতেজ হতে সাহায্য করে। আপনি যখন শারীরিকভাবে ফিট থাকেন ও মানসিকভাবে উদ্দীপ্ত থাকেন, তখন এই দুটি একসঙ্গে খুব সুন্দরভাবে কাজ করে। আপনি দলের জন্য অবদান রাখতে পারেন, যেটা খেলোয়াড় হিসেবে মূল লক্ষ্য। কখনও শুধু দলে জায়গা ধরে রাখতে চাইবেন না। আপনি পারফর্ম করতে চান, দলের জন্য নিয়মিত পরিশ্রম করে যেতে চান।”
দুইশ ছাড়ানো লক্ষ্য তাড়ায় রয়েসয়ে শুরুর পর ৩৩ বলে ফিফটি করেন কোহলি। পরে ১৬তম ওভারে টানা চার বলে ৬, ৪, ৪ ও ৪ মেরে ম্যাচ শেষ করে দেন তিনি। সব মিলিয়ে ৫টি করে চার-ছক্কা মেরে ৩৮ বলে ৬৯ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন কোহলি।

